Radio and PodcastRadio and PodcastLive Radio & Podcasts
সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল artwork
Religion & Spirituality

সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল

Quran In Bengali | আল-কুরআন এর তিলওয়াত এবং বাংলা অনুবাদ by Quran For Lifeline

Feb 22, 202100:08:56Religion & Spirituality

সূরা আস-সাফ‌ (আরবি ভাষায়: الصّفّ) । শ্রেণী: মাদানী সূরা, নামের অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল, সূরার ক্রম: ৬১, আয়াতের সংখ্যা: ১৪, পারার ক্রম: ২৮, রুকুর সংখ্যা: ২, সিজদাহ্‌র সংখ্যা: নেই । নামকরণ: এই সূরাটির চতুর্থ আয়াতের يُقَا...

About This Episode

সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল is an episode from Quran In Bengali | আল-কুরআন এর তিলওয়াত এবং বাংলা অনুবাদ by Quran For Lifeline. সূরা আস-সাফ‌ (আরবি ভাষায়: الصّفّ) । শ্রেণী: মাদানী সূরা, নামের অর্থ: সারবন্দী সৈন্য...

Listen Online

Use the player on this page to stream the episode online.

Episode Details

Published Feb 22, 2021, 00:08:56 long, audio available.

Questions About This Episode

What is সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল about?

সূরা আস-সাফ‌ (আরবি ভাষায়: الصّفّ) । শ্রেণী: মাদানী সূরা, নামের অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল, সূরার ক্রম: ৬১, আয়াতের সংখ্যা: ১৪, পারার ক্রম: ২৮, রুকুর সংখ্যা: ২, সিজদাহ্‌র সংখ্যা: নেই । নামকরণ: এই সূরাটির চতুর্থ আয়াতের يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ صَفًّا বাক্যাংশের صَفًّا অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে الصّفّ (‘সাফ‌’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা। নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান: কোন নির্ভরযোগ্য বর্ণনা থেকে এর নাযিল হওয়ার সময়-কাল জানা যায় না। কিন্তু এর বিষয়বস্তু নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলে অনুমান করা যায় যে, সূরাটি সম্ভবত ওহোদ যুদ্ধের সমসাময়িককালে নাযিল হয়ে থাকবে। কারণ এর মধ্যে যেসব পরিবেশ-পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। তা সেই সময়ের সাথেই সংশ্লিষ্ট। বিষয়বস্তুর বিবরণ: এ সূরার বিষয়বস্তু হলো ঈমানের ব্যাপারে মুসলমানদেরকে নিষ্ঠা ঐকান্তিকতা অবলম্বন এবং আল্লাহর পথে জীবন কুরবানী করতে উদ্ধুদ্ধ করা। এতে দুর্বল ঈমানের মুসলমানদেরও সম্বোধন করা হয়েছে। যারা ঈমানের মিথ্যা দাবি করে ইসলামে প্রবেশ করেছিল তাদেরকেও সম্বোধন করা হয়েছে আবার যারা ঈমানের ব্যাপারে একনিষ্ঠ ছিল তাদেরকেও সম্বোধন করা হয়েছে। কোন কোন আয়াতে শুধু প্রথম দুটি শ্রেণীকে সম্বোধন করা হয়েছে। কোন কোন আয়াতে শুধু মুনাফিকদের সম্বোধন করা হয়েছে। আবার কোন কোন আয়াতে নিষ্ঠাবান মু’মিনদের প্রতি লক্ষ্য করে কথা বলা হয়েছে। কোন স্থানে কাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য পেশ করা হয়েছে তা বক্তব্যের ধরন থেকেই বুঝা যায়। শুরুতে সমস্ত ঈমানদারদের এই মর্মে সাবধান করা হয়েছে যে, যারা বলে এক কথা কিন্তু করে অন্য রকম কাজ, তারা আল্লাহ তা’আলার দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত। আর যারা ন্যায়ের পথে লড়াই করার জন্য মজবুত প্রাচীরের মত দুর্ভেদ্য হয়ে দাঁড়ায় আল্লাহ তা’আলার নিকট তারা অত্যন্ত প্রিয়। ৫ থেকে ৭ আয়াতে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মাতের লোকদেরকে সাবধান করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে বনী ইসরাঈল জাতি মূসা (আ) এবং ঈসা আলাইহিস সালামের সাথে যে আচরণ করেছে তোমাদের রসূল এবং তোমাদের দ্বীনের সাথে তোমাদের আচরণ সেই রকম হওয়া উচিত নয়। হযরত মুসা(আ) আল্লাহর রসূল একথা জানা সত্ত্বেও তিনি যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন তারা তাঁকে কষ্ট-যন্ত্রণা দিয়েছে এবং হযরত ঈসার (আ) কাছ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনাবলী দেখতে পাওয়ার পরও তাকে অস্বীকার করা থেকে বিরত হয়নি। এর ফল দাঁড়িয়েছে এই যে, ঐ জাতির লোকদের মেজাজের ধরন-প্রকৃতিই বাঁকা হয়ে গিয়েছে এবং হিদায়াত লাভের তাওফিক বা শুভবুদ্ধি থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছে। এটা এমন কোন বাঞ্ছনীয় বা ঈর্ষনীয় অবস্থা নয় যে, অন্য কোন জাতি তা লাভের জন্য উদগ্রীব হবে। এরপর ৮ ও ৯ আয়াতে চ্যালেঞ্জ করে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ইহুদী ও খৃস্টান এবং তাদের সাথে ষড়যন্ত্রকারী মুনাফিকরা আল্লাহর এই নূরকে নিভিয়ে দেয়ার যতই চেষ্টা-সাধনা করুক না কেন তা পুরা শানশওকতের সাথে গোটা পৃথিবীতে অবশ্যই বিস্তার লাভ করবে। মুশরিকরা যতই অপছন্দ করুক না কেন আল্লাহর মহান রসূলের আনীত দ্বীন বা জীবনব্যবস্থা অন্য সব জীবনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবশ্যই বিজয়ী হবে। অতপর ১০ থেকে ১৩ পর্যন্ত আয়াতে ঈমানদারদের বলা হয়েছে যে, দুনিয়া এবং আখেরাতে সফলতা লাভের পথ মাত্র একটি। তা হলো খাঁটি ও সরল মনে আল্লাহ তার রসূলের ওপর ঈমান আনো এবং জান-মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করো। এর ফল হিসেবে আখেরাতে পাবে আল্লাহর আযাব থেকে মুক্তি, গোনাহসমূহের মাগফিরাত এবং চিরদিনের জন্য জান্নাত। আর দুনিয়াতে পুরস্কার হিসেবে পাবে আল্লাহর সাহায্য সহযোগিতা এবং বিজয় ও সফলতা। সূরার শেষে ঈমানদারদের বলা হয়েছে যে, হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে তাঁর হাওয়ারী বা সাহায্যকারীরা আল্লাহর পথে যেভাবে সহযোগিতা করেছে তারাও যেন অনুরূপভাবে ‘আনসারুল্লাহ’ বা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে দাঁড়ায় যাতে ইতিপূর্বে ঈমান আনয়নকারি গণ যেভাবে আল্লাহর সাহায্য-সহযোগিতা লাভ করেছিলেন তারাও কাফেরদের বিরুদ্ধে তেমনি সাহায্য সহযোগিতা লাভ করতে পারে ।

Where can I listen to সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল?

You can listen to সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল online on Radio and Podcast. Open the player on this page to stream the available audio.

Which podcast is সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল from?

সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল is an episode from Quran In Bengali | আল-কুরআন এর তিলওয়াত এবং বাংলা অনুবাদ by Quran For Lifeline.

How long is this episode?

This episode is 00:08:56 long.

When was this episode published?

This episode was published on Feb 22, 2021.

Can I save সূরা আস-সাফ আল কুরআনের ৬১ তম সূরা অর্থ: সারবন্দী সৈন্যদল for later?

Yes. Use the heart button on the episode page to add it to your favorite episodes list.

Are there related episodes from Quran In Bengali | আল-কুরআন এর তিলওয়াত এবং বাংলা অনুবাদ?

Yes. This page shows related episodes from Quran In Bengali | আল-কুরআন এর তিলওয়াত এবং বাংলা অনুবাদ when more episodes are available from the podcast feed.